Friday, February 27, 2015

যেভাবে আপনি না বুঝেই আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করছেন

পরিবারই একটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার সবচাইতে নির্ভরযোগ্য স্থান। শিশুর আত্মবিশ্বাস, তার ন্যায়-অন্যায় জ্ঞান এমনকি আত্মসম্মান বোধের মতো মানসিক সকল ব্যাপার পরিবারের লোকজনের মাধ্যমেই গড়ে উঠে। পরিবার তাকে যেভাবে গড়ে তুলবে সে ছোটবেলা থেকেই সেভাবে গড়ে উঠবে এটিই স্বাভাবিক। তাই শিশুদের মানসিক ব্যাপারগুলোর দিকে অভিভাবকের দিতে হবে কড়া নজর। কিন্তু অভিভাবকের না জানার কারণেই সন্তানের মানসিকতা হয়ে যায় পুরোপুরি উল্টো। হয়তো অভিভাবকেরা বুঝতেই পারেন না তাদের করা কিছু কাজেই সন্তানের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
১) ‘এটি অনেক সহজ কাজ’- কথাটি বলা
যখন দেখবেন আপনার সন্তান একটি কাজ করতে গিয়ে ভুল করে ফেলছে যা আপনার চোখে অনেক সহজ এবং আপনার মতে তার জন্যও কাজটি সহজ তখন অনেক অভিভাবকই বলে ফেলেন, ‘কাজটি তো অনেক সহজ, তুমি পারছ না কেন, চেষ্টা করো পারবে’। অনেকে বলতে পারেন এই কথাটি তো উৎসাহিত করার জন্যই বলা। কিন্তু সমস্যা হলো এই কথাটি একই সাথে নিরুৎসাহিত করার ক্ষমতা রাখে। আপনার কথাটি শিশুটির মনে নিজের প্রতি বিরূপ ধারণার সৃষ্টি করে। সে ভাবে, ‘সহজ হলে আমি কেনো পারছি না, আমার ভেতরে সমস্যা আছে, আমার মধ্যেই বুদ্ধি কম’। এতে করে নষ্ট হতে থাকে তার আত্মবিশ্বাস।
তাই এই ধরণের কথা না বলে তাকে বলুন, ‘কাজটি কঠিন, তুমি যে এতোটুকু পারছ তাই প্রশংসনীয়, আরও চেষ্টা করলে আরও ভালো পারবে’। এতে করে কাজটি করার একটি উৎসাহ তার মধ্যে জন্মাবে।
২) সন্তানের জন্য অতিরিক্ত কিছু করা
নিজের সন্তানের সব কিছু করে দিতে ভালোবাসেন অনেক অভিভাবক। মনে করেন তার সন্তানের যেনো কোনো কিছুতে কষ্ট না হয়। এবং অনেকেই ভাবেন আমার সন্তানকে আমি ভালোবাসি, তার সব কিছুর দায়িত্ব আমার। এই চিন্তাটি কিন্তু খারাপ কিছু নয়। তবে আপনার এই অতিরিক্ত করাটি সন্তানের জন্য খারাপ। আপনার সব কাজ করে দেয়া, তাকে কিছু না করতে দেয়া তার মনে একটি বার্তা পৌঁছে দেয়। আর তা হলো, ‘আমি কিছু পারি না, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না’। এতে করেই নষ্ট হতে থাকে তার আত্মবিশ্বাস।
তারচাইতে নিজের সন্তানের নিজস্ব জিনিসগুলো তাকেই করতে দিন। এবং প্রয়োজনে সংসারের কিছু ছোটোখাটো কাজও তাকে করতে দিন। এতে করে আপনার শিশুটির নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
৩) ছোটোখাটো ভুলের জন্য তাদের অনেক বেশি দোষারোপ করা
ভুল মানুষই করে। আর বাচ্চারা তো নতুন করেই সব শিখছে। তাদের চুল হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি তার সব ছোটোখাটো ভুলের জন্যই তাকে বকা দিতে থাকেন, শাস্তি দিয়ে থাকেন তাহলে তার কোনো কিছু করার স্পৃহা কমে যাবে, এবং নিজের প্রতি বিশ্বাসটিও কমে যাবে। নষ্ট হবে তার আত্মবিশ্বাস।
সুতরাং ছোটোখাটো ভুলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার না করে তাকে তার ভুল বুঝিয়ে দিন। তাকে দেখিয়ে দিন কোথায় ভুল হচ্ছে এবং তাকে আশ্বাস দিন কাজটি কঠিন হলেও সে পারবে। নিজের সন্তানের আত্মবিশ্বাস উন্নত করার চাবিকাঠি আপনার হাতেই




সামনের অংশের মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে? জেনে রাখুন সমাধান

সুন্দর চুলের অধিকারী সকলেই হতে চান। কিন্তু আজকাল অনেকই একটি প্রশ্ন করতে দেখা যায় যে, মাথার সামনের চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমাধান কী? অনেকেরই হয় এই সমস্যা। বিশেষ করে চুলের মাঝখানে কিংবা ডানে-বায়ে যেখানে সিঁথি টানা হয় সেখানকার চুলগুলো অনেক পাতলা হয়ে যায় এবং সিঁথি ক্রমশ চওড়া হতে থাকে। ফলে দেখতেও খারাপ লাগে। তাই মাথার সামনের চুল পাতলা হয়ে যাওয়া সমস্যা থেকে রেহাই পেতে জেনে রাখুন কিছু টিপস।
যা করবেন
১। খুব টেনে চুল বাঁধবেন না। পিছনের দিকে টেনে চুল বাঁধলে সামনের অংশে চুল ফাঁকা হয়ে যেতে পারে। হেয়ার লাইন দুর্বল হলে এই সমস্যা হতে পারে।
২। তেল গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তবে খুব জোরে ম্যাসাজ করবেন না। শুধুমাত্র আঙুলের ডগার সাহায্যে মাথার তালুতে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন। এতে মাথায় রক্ত চলাচল বাড়ে। ফলে চুল পড়া কমে, সপ্তাহে ২/৩ বার করুন।
৩। মাথার তালুতে নিয়মিত হার্বাল হেয়ার টনিক লাগান, যেটা আপনার চুলে মানিয়ে যায়। এছাড়াও কোন ভালো বিউটি সেলুনে গিয়ে ক্লিনিক্যাল স্কাল্প ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। এটি হেয়ার গ্রোথে সাহায্য করে। আর এর সাথে নজর রাখতে হবে খাওয়ার দিকেও।
৪। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।

গোলাপজলের দারুণ ৩ টি ব্যবহার পরিপূর্ণ রূপচর্চা


প্রাচীনকাল থেকেই গোলাপজল ব্যবহৃত হয়ে আসছে রূপচর্চার কাজে। ত্বক, চোখ এমনকি চুলের পরিচর্যায় গোলাপজলের তুলনা নেই। কিন্তু শুধুমাত্র ত্বকের নমনীয়তা ও উজ্জ্বলতা, চোখের ডার্ক সার্কেল ধরণের সমস্যা এবং চুলের মসৃণতা বৃদ্ধিই নয় গোলাপজলের ব্যবহার ত্বক ও চোখের নানা ইনফেকশন এবং মাথার ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। চলুন তবে আজ জেনে নিই ত্বক, চুল ও চোখের পরিচর্যা ও সুস্থতায় গোলাপজলের ব্যবহার।
১) ত্বকের যত্নে গোলাপজল
একটি তুলোর বল বা তুলো ভিজিয়ে নিন গোলাপজলে। প্রতিদিন সকাল ও রাতে ২ বার মুখ ধুয়ে গোলাপজল ভেজানো তুলোর বল পুরো মুখের ত্বকে আলতো ঘষে লাগাবেন। এতে করে ত্বকের ভেতরের জমে থাকা ময়লা দূর হবে, ত্বক হবে উজ্জ্বল ও নরম এবং সেই সাথে ব্রণ, ফুসকুড়ি, ত্বকের ইনফেকশনের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
২) চোখের যত্নে গোলাপজল
দুটো তুলোর বল গোলাপজলে ভিজিয়ে চোখের উপর দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এতে করে খুব সহজেই চোখের ডার্ক সার্কেল, চোখের ফোলাভাব দূর করতে পারবেন। এছাড়াও যদি চোখে কোনো ইনফেকশন হয় বা চোখ লালচে হয়ে ফুলে উঠা বা চুলকোনির সমস্যা হয় তাহলে ২/৩ ফোঁটা গোলাপজল চোখে দিয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন। সমস্যা দূর হবে।
৩) চুলের যত্নে গোলাপজল
গোলাপজল চুলের কন্ডিশনারের মতো কাজ করে কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবেই আর্দ্রতা ধরে রাখে। মেথি পাউডার গোলাপজলে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে চুলের গোঁড়ায় ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর চুল ধুয়ে নিন। এতে করে চুলের গোঁড়া মজবুত হবে, মাথার ত্বকের নানা ইনফেকশন জনিত সমস্যা দূর হবে, চুল গজানোর হার বাড়বে এবং খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

Thursday, February 26, 2015

আইশ্যাডো ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি যে ৫ টি ভুল এড়িয়ে চলবেন



নারীরা একটু আধটু সাজগোজ না করলেই নয়, বিশেষ করে যদি পার্টি বা উৎসবের অনুষ্ঠান হয়। আর পুরো মেকআপ আইশ্যাডো ছাড়া একেবারেই অপূর্ণ। কিন্তু যারা পার্লারে না গিয়ে নিজে নিজে সাজগোজ করেন তারা আইশ্যাডো লাগাতে গিয়ে একটু ভুল করে ফেলেন যার কারণে পুরো মেকআপই নষ্ট হয়ে যায়। তাই জেনে নিন আইশ্যাডো ব্যবহারের সময় এড়িয়ে চলা উচিত যে ভুলগুলো।

Ads Inside Post